কালী প্রতিমার ডান চোখে ‘জল’! মায়ের এই দৃশ্য দেখে উপচে পড়ছে দর্শনাথীদের ভিড়

নিজস্ব প্রতিবেদন :- বিভিন্ন ভাষাভাষী দেশ আমাদের এই ভারত বর্ষ ।তার পাশাপাশি এই ভারতবর্ষে বসবাস করে বিভিন্ন ধর্মের মানুষ ।প্রত্যেকেই নিজের ধর্মের প্রতি অ-গা-ধ আস্থা রাখেন এবং তার পাশাপাশি অন্য ধর্মের প্রতি যত্ন-বান এবং সৃ-জন-শীলতা হয়ে থাকে।

কিন্তু কখনো কখনো এমন ধরনের কিছু ঘটনা হঠাৎ করেই সামনে উঠে আসে যা তোলপাড় করে তোলে সমগ্র অঞ্চলের শুধুমাত্র অঞ্চল বলা ভুল হবে এমনকি তো-ল-পা-ড় করে তোলে সোশ্যাল মিডিয়ার প্লাটফর্ম ঠিক যেমনটা ঘটলো এবার।

সাধারণত আমরা যারা বাঙালি হিন্দু তারা মায়ের পূজার্চনা করি । বিশ্বা-সের জোরে কোথাও কোথাও গড়ে তুলি মন্দির । সেই মন্দির রাখি মাটির একটি মূর্তি বা প্রতিমা এবং সারা বছর ধরে বা বছরের পর বছর ধরে সে মাটির প্রতিমা কে পূজা অর্চনা করা হয়। নামে ভক্তদের ভিড় ।

কিন্তু সম্প্রতি যে ঘটনাটি দেখা গেল সেটি সম্পূর্ণ অবাক করার মতন এবং অ-দ্ভু-ত । এক ধরনের ঘটনা ২৫ বছর আগে গণেশ কে দুধ খাওয়ার ঘটনা তো-ল-পা-ড় করে তুলে-ছিল রাজ্য এবং ভারতবর্ষের বিভিন্ন অঞ্চল কে । ঠিক সেই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটল আরো একবার । তবে এবার গণে-শের দুধ খাওয়া নয় বরং ঘটলো অন্য কিছু।

সম্প্রতি বহরমপুরের কৃষ্ণমাটি, পূর্ব পাড়ায় কালী প্রতিমার ডান চোখ দিয়ে গড়াচ্ছে অ-ঝো-রে জল । আর তাতেই লা-গা-মছা-ড়া ভি-ড় সেটি দেখার জন্য । কি কারনে বা কেন এই ধরনের ঘটনা ঘটলো তা এখনো স্প-ষ্ট নয় বলে জানান গ্রামবাসীরা।স্থানীয়দের দাবি, এখানকার একটি মন্দিরে কালী প্রতিমার ডান চোখ দিয়ে নাকি গ-ড়ি-য়ে প-ড়-ছে জল। সঙ্গে সঙ্গে মন্দিরে বেড়েছে দর্শনার্থীর ভি-ড়। সারাদিন ধরে চলছে পুজো আচ্চা। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁ-ছন বিজ্ঞানমঞ্চের প্রতিনিধিরা।

বেশ কিছুক্ষণ ধরে সেখানকার বিজ্ঞান মঞ্চের প্রতিনিধিরা সে মন্দির এবং মূর্তির পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেন এবং তারা জানান যে এটি কখনোই সম্ভব নয় মাটি কিংবা পাথরের মূর্তি থেকে কখনো স্বাভাবিক নিয়মে জল বেরিয়ে আসতে পারে না । যখন কোন মাটির প্রতিমা কে রং করা হয় তখন তার মধ্যে গ্লিসারিন বা ঘা-মতে-ল মেশানো হয় ।

যেটি পরবর্তীকালে গলে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে । এবং সেই সম্ভাবনা থাকে এটি ঘটতে পারে । তার পাশাপাশি তারা জানিয়েছেন যে কোনো তরল পদার্থ তুলির মাধ্যমে চোখের কোনে ঠিকিয়ে দেয়া হয়েছে ইচ্ছা-কৃতভাবে । তবে গ্রামবাসীদের বক্তব্য নিশ্চয়ই কোন অ-শ-নিসং-কেত রয়েছে । নইলে মা এমন ধরনের ঘটনা কখনোই ঘটাতেন না ।

\

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button