লক্ষীর ভান্ডার প্রকল্পে আবেদনকারী মহিলাদের একাউন্ট থেকে টাকা সব টাকা উধাও! গ্রেফতার করা হলো অভিযুক্তকে!

নিজস্ব প্রতিবেদন :- এবার লক্ষী ভান্ডার প্রকল্পের আবেদন পত্র জমা করতে গিয়ে বা সুবিধা পেতে গিয়ে অ্যাকাউন্ট থেকে গায়েব হয়ে গেল কয়েক হাজার টাকা । এমনই অভিযোগ উঠেছে পূর্ব মেদিনীপুরের মহিষাদল থানার অন্তর্গত গোপালপুর গ্রামে । কি জানা যাচ্ছে সেখান থেকে, তাদের বিস্তারিত । তাহলে কি সরকার মানুষকে প্র-তারণার ফাঁ-দে ফেলেছে নাকি অন্য কেউ এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে এই ধরনের কাজকর্ম করছে কি জানাচ্ছে সেখানকার পুলিশ সবটা তুলে ধরব আমরা আজকের এই প্রতিবেদনে ।

তাই সাবধান হোন এবং অন্যকে সাবধান করতে অতি অবশ্যই পুরো প্রতিবেদনটি পড়ুন রইল। লক্ষী ভান্ডার প্রকল্পের আবেদন করার জন্য যে সমস্ত নথিপত্রগুলো দরকার তাদের মধ্যে অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ নথি পত্র হচ্ছে ব্যাংকের অ্যাকাউন্ট ডিটেইলস । যদি আপনি ব্যাংকের অ্যাকাউন্ট ডিটেইলস না দেন তাহলে সরকারি তরফ থেকে কোনো রকম কোনো টাকা আপনার ব্যাংকে পাঠানো হবে না ।

তাই ব্যাঙ্কের প্রথম পাতার জেরক্স অতি অবশ্যই সবাইকে দিতে হচ্ছিল । সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়েছে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার মহিষাদল থানার অন্তর্গত গোপালপুর গ্রামের বাসিন্দা যার নাম তুষার অধিকারী । কিভাবে মহিলাদের একাউন্ট থেকে তিনি টাকা গায়েব করে নিলেন তা জানাবো আপনাদেরকে সংক্ষিপ্তভাবে । গত ১৫ সেপ্টেম্বর গ্রামে দুয়ারে সরকারের শিবিরের আয়োজন হয়। সেই শিবির থেকে ফর্ম নিয়েই পূরণ করে গুছিয়ে জমা দিয়েছিলেন ওই ছয়জন।

কিন্তু, আবেদন করার পরেও ফোনে কোনও মেসেজ পাননি তাঁরা। আশেপাশের সকল মহিলা টাকা ঢোকার বার্তা পেলেও তাঁদের ফোনে তেমন কোনও আবেদন আসেনি। ছয়জনই তাই ফের ক্যাম্পে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। সেখানে তাঁদের নাম ও ফোন নম্বর নেওয়া হয়। এরপর ১৬ সেপ্টেম্বর ওই ছয় মহিলার বাড়ি বাড়ি যান এক যুবক। অ-ভিযোগ সেই যুবক নিজের বিডিও অফিসের কর্মী বলে পরিচয় দেন। বাড়িতে গিয়ে কাগজপত্র নেওয়ার পাশাপাশি বায়োমেট্রিক মেশিনে আঙুলের ছাপও তুলে নিয়ে যান ওই যুবক।

ঘটনার একদিন পরেই আচমকা ওই ছয় মহিলা আবিষ্কার করেন তাঁদের অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা কাটা হয়েছে। তাঁদের ছয়জনের অ্যাকাউন্ট থেকে ৫০০০ টাকা করে মোট ২৬ হাজার ৫০০ টাকা খোয়া গিয়েছে। এতেই মাথায় হাত পড়ে তাঁদের! সকলেই বুঝতে পারেন তাঁরা প্রতারিত হয়েছেন। সঙ্গে সঙ্গেই মহিষাদল থানায় অ-ভিযোগ দায়ের করেন তাঁরা। পুলিশ তদন্তে নেমে ঘটনায় অভিযুক্ত গোপালপুরের বাসিন্দা তুষার অধিকারী নামে একজনকে গ্রেফতার করে। এই ঘটনায় আর কেউ জড়িত কি না তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তদন্তকারীরা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button